সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম মা ও বোনেরা শুকরিয়া আদায় করছি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে যিনি আমাদেরকে আজকের এই জুমার দিনে গুরুত্বপূর্ণ এবাদত জুমার সালাত আদায় করা খুতবা শোনা এই আমলগুলো করার জন্য বায়তুল মামুর চাঁদ জামে মসজিদ আদাবর এখানে আমাদেরকে সমবেত হওয়ার তৌফিক এনায়েত করেছেন। এজন্য বলছি আলহামদুলিল্লাহ। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের প্রতি। আল্লাহুম্মা সাল্লি ওসাল্লিম আলা নবীনা মুহাম্মাদ ওহি ওহিক ওয়াসাল্লাম। সবেমাত্র আমরা জুলহিজ্জা মাসের আমলগুলো এবং সময়গুলো সম্পন্ন করলাম। হাজিরা হজ সম্পন্ন করেছেন। আমরা যারা হজে যেতে পারিনি, যাদের সামর্থ্য হয়েছে, কুরবানি করেছেন এবং যাদের কোরবানী ও সামর্থ্য হয়নি, হয়তো জলহিজ্জা মাসের আরো কিছু আমল ফজিলত ছিল সেটা আমরা জেনেছি সেগুলো হয়তো করেছেন।
জুমার দিনে দোয়া কবুল হয় মনে হয় আমরা জানি। হাদিসে আছে যে জুমার রাত দিনে এমন একটা সময় আছে যদি কোন আল্লাহর বান্দাবান্দ কিছু আল্লাহর কাছে চায় আর ওই সময়ের সাথে যদি মিলে যায় তাহলে সেটা সরাসরি আল্লাহ কবুল করে নেন। সুবহানাল্লাহ। এটাও আমরা আবার জেনেছি যে এই সময়টা ঠিক কখন এটা নিয়ে মুহাদ্দিসীনদের মধ্যে অনেকটা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ এবং তারা আলোচনা করেছেন। তো অনেকে এই মতটাকে প্রাধান্য দিয়েছেন যে ইমাম সাহেব যখন খুতবা দিতে দাঁড়ান তখন থেকে সালাতের শেষ হওয়া পর্যন্ত এই সময়টাকে কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন। কেউ কেউ ওই দিনের আসরের সময়টা গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন। তো খুতবার শুরুতে এই কথাটা আনলাম এইজন্য যে আমরা জুলহিজ্জা মাসের ফজিলত নিয়ে অনেক আলোচনা করেছি।
আপনারাও শুনেছেন, আরো পড়েছেন। তো এই সময়ে আমরা যার যার সামর্থ্যের আলোকে চেষ্টা করেছি আমল এবাদত করার জন্য। কিন্তু আমলগুলো আবার অনেকে হজও করেছেন, অনেকে হজ শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। তো এই যে বিশ্বের মুসলমানদের জন্য আমাদের সবার জন্য যে সুযোগটা আমলের সুযোগ সময় আসছিল। যার যার মত আমরা করলাম আল্লাহ যদি বলেন কিছুই নেব না আমাদের কিছু করার নাই তো এজন্য আমরা এই দোয়া কবুলের দিন দোয়া কবুলের একটা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আমরা সকলেই আল্লাহর কাছে এই দোয়াটা করছি এই আবেদন করছি যেন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ঈদুল হিজ্জা মাসকে কেন্দ্র করে যত মুমিন মুসলমান যত নেক আমল করেছেন সকলের আমলগুলি যেন আল্লাহ কবুল করেন আল্লাহুম্মা আমিন এবং এর বিনিময়ে যেন আমাদেরকে দুনিয়া এবং আখেরাতে কল্যাণ এবং সফলতা দান করেন আল্লাহুম্মা আমিন।
>> আসলে খুতবার দিন আসলে আমরা যারা খুতবা দেই আমাদেরও একটা ভাবনা থাকে যে আসলে কি নিয়ে খুতবা দেওয়া যায়। তো যখন যে সময়টা প্রেক্ষাপট আসে যে এবাদতের সময় আসে সেটা নিয়েই কথা বলা স্বাভাবিক। সেটা নিয়েই মানুষেরও জানার দরকার হয়। আমাদেরও আমরা বলে থাকি। তো কোন কোন সময় আসলে সামাজিক পরিবেশ পরিস্থিতি বৈশ্বিক পরিবেশ পরিস্থিতিও আমাদেরকে কিছুটা নাড়া দেয়। এমন একটা কঠিন সময় যেন এখন আমরা পার করতেছি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম আমাদের জন্য কিয়ামতের যে সকল ভবিষ্যৎবাণী করে গেছেন আশরাতুস সা ওগুলাকে কি বলা হয়? আশরাতুস সাহ।
কিয়ামতের আলামত কিয়ামতের আলামতের নাম কি বললাম কন তো আশরাতুস সা এই আশরাতু সায়া হাদিসে অধ্যায় আছে বাবি বাবুলতানজামান এই ধরনের শিরোনামে এই ঘটনাগুলো হাদিসগুলো উল্লেখ আছেতো কেয়ামত পূর্ববর্তী সময়ে কি ঘটবে এ মর্মে রাসূলুল্লাহ সলাম আমদের সামনে যে কথাগুলো বলে গেছেন এই কথাগুলো দুইটা ভাগ করা হয়েছে কেয়ামতের আলামতে কেয়ামতে সহরা আলামতে কিয়ামতে কুবরা কেয়ামতের আগের আলামত ছোট ছোট কিছু আলামত যেটা মূল আলামত সংঘটিত হওয়ার আগে ঘটতে থাকবে আর কিছুদটা আলামত তিনি বলে গেছেন যে এগুলা যখন ঘটবে তখন আর দুনিয়া থাকবে না শেষ হয়ে যাবে তো পূর্ববর্তী যে আলামতগুলা লক্ষণ কিয়ামতের যেগুলা মূল ১০টা আলামত সংঘটিত হওয়ার আগে ঘটবে।
এই বিষয়গুলো রাসূলামের হাদিস থেকে যখন আমরা সামনে আনি তখন দেখি যে একবারে একে একে একে একে একে একে সব আমাদের সামনে হাজির হয়ে আমাদেরকে বলতেছে দুনিয়ার মানুষ তোমরা রেডি হয়ে যাও। প্রস্তুত হয়ে যাও। পৃথিবী হয়তো মানে তোমাদেরকে বেশিদিন রাখবে না। এমন পরিস্থিতি পৃথিবীতে ঘটতে শুরু করেছে যা কিয়ামতের আলামতকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। এই বিষয়গুলো অনেক লম্বা। এগুলা নিয়ে আমরা আগে শুনেছি বা সময় সুযোগে আমরা বক্তব্য দিয়েছি। তো আমার আজকে মূল বিষয় ওটা না। মূল বিষয় হলো ধরেন বিগত দুই এক সপ্তাহ যাবত আসলে যারা আমরা মিডিয়ায় কিছুটা খোঁজখবর রাখি বা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে যদি বলি বৈশ্বিক অবস্থা তো বেশ আগে থেকেই উত্তপ্ত।
যুদ্ধ অবস্থা। এখন একটা দেশে আরেকটা দেশে যদি মারামারি চলে তাইলে ওই মারামারির প্রভাবটা ওই দেশে সীমাবদ্ধ থাকে না। কারণ পৃথিবীটা তার প্রত্যেকটা দেশে অর্থনীতি, সামাজিক ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা সবকিছুর একটা চেন থাকে। একটা জায়গায় যদি সমস্যা দেখা দেয় এই সমস্যার প্রভাবটা কমবেশি বিভিন্ন জায়গায় ছড়াইয়া যায়। একটা দেশে যদি যুদ্ধ হয় এখানে যদি ফ্লাইট ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায় তাইলে ওই দেশ থেকে ফ্লাইট পড়লো না কিন্তু অনেক মানুষ অন্যান্য দেশ থেকে তো ওই দেশে গিয়ে ফ্লাইটে নাইমা তার কাজ ছাড়তো তাইলে ওই দেশ থেকেও লোকটা আসতে পারলো না এরপরে যাই হোক একটা নির্বাচন গেল আমরা মনে করছিলাম যে হয়তো একটু শান্তি আসবে দেশে কিন্তু যা দেখি এগুলা দেখে মানে একেবারে ভারাক্রান্ত একটা মা তার বাচ্চা লালন পালন করল।
এইতো আপনাদের ডাকার খবর। আপনারাই ভালো জানেন। আমি আর কি বলব? মানে এগুলার আয়াত এবং হাদিস আমাদেরকে সামনে এনে দেয়। এইজন্য বলছি। বাচ্চারে স্কুলে পাঠাবে। তার পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীর ঘরে সে চলে গেল কিভাবে? মাঝখানে সামান্য একটু জায়গা। ওখান থেকে সে আর তার মেয়েটাকে অক্ষত পাইল না। দ্বিখন্দিত লাশ পাইল। আবার রিসেন্টলি একটা খবর কি দেখলাম? এই ডাকার ঘটনা যে উচ্চ শিক্ষিত ছেলেমেয়ে একজন মেয়ে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ম্যাডাম আরেক ছেলে নাকি সচিব আরেক ছেলে নাকি আপনার কানাডা প্রবাসী আরেক ছেলে নাকি বিশ্ব বিখ্যাত নামদারী প্রতিষ্ঠানের আপনার শিক্ষক তার মা মরে লাশ পড়ে আছে কেউ জানে না এগুলো আমাদের কি শিখাচ্ছে এরপরে এই যে শিশু বাচ্চাদের বা মেয়েদের উপরে যে একটা হয়রানি যাচ্ছে মা তার বাচ্চা বাবা তার বাচ্চারে নিয়ে হয়তো বাজার স্কুলে গেছে ঘরে ফিরতেছে বাবারে জিম্মি করি মেয়েটারে অপকরণ করে নিয়ে নেওয়া হচ্ছে এখন এগুলি খালি দেখবেন লাশ অমুক জায়গায় লাশ অমুক জায়গায় মরদেহ উদ্ধার অমুক জায়গায় আপনার এতজনকে
মেরে ফেলা হয়েছে অমুক জায়গায় অমুক শিশুকে ধর্ষণ করে ফেলা হয়েছে মানে এই যে একটা অবস্থা চলছে এটা আমাদের কি শিখায় রাসূুল্লাহ সলাম বলেছেন বুখারী মুসলিমের হাদিসযে একটু আগে পড়লাম আবু হরা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে হাদিস বর্ণিত বুখারী ও মুসলিম কিয়ামতের আগে ফেতনা বাড়বে মূর্খতা বেড়ে যাবে তারপরে হত্যা বেড়ে যাবেনা ব্যভিচার বেড়ে যাবে মানুষ মত পানেঅস হয়ে যাবে এবং জিলজমাজি গান বাদ্যযন্ত্র অহরহ ব্যবহার হবে এখন এগুলাতে কোন বাধা নিষেধ নাই যত আকাম পাপ করতে পারো সবন কিন্তু কেউ যদি দীন ধর্ম নিয়ে চিন্তা করে কোন প্লাান করে তাইলে সব টার্গেট তার উপরে হুজুরে দোষ করলে হুজুর দোষ করল কেন এই একটা সমাজ এই একটা পরিবেশ পরিস্থিতি আমাদের সামনে এসে উপস্থিত তাইলে এখন আমরা আমাদের দন ঈমান আমাদের পরিবারকে কে বাঁচাবো কি করে? এই ক্ষেত্রে সবাই আমরা মোটামুটি অনেক কিছুই জানি সচেতন।
আমি অনুরোধ করব আরেকটু সচেতন হওয়ার জন্য। যাদের বাসায় বিশেষ করে মেয়ে সন্তান আছে তাদের ব্যাপারে একটু বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা। কোন মাধ্যম ছাড়া বা সঙ্গী ছাড়া কোন অবস্থাতেই বাইরে তাদের দেওয়া ঠিক হবে না। এবং লেখাপড়ার নামে যে সহশিক্ষা এই ক্ষেত্রেও একটু সাবধান থাকা দরকার। এমনকি ছেলে বাচ্চা আমাদের যারা আছেন তাদের ব্যাপারেও সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার। এরা কার সাথে মিশছে কোথায় যাচ্ছে। কারণ সমাজটাই নষ্ট হয়ে গেছে। পুরুষ সমাজটাই নষ্ট হয়ে গেছে। পাড়ায় মহল্লায় গেলে দেখবেন যে কয়েকটা বাচ্চা বসে কোরআন হাদিস চর্চা করতেছে। একটা ছেলেরে ডাক দিয়ে আইনা বলতেছে ভাই তুমি একটু একটা আয়াত পড় একটা হাদিস শিখো।
এরকম পাবেন না। পেলেও এটা একেবারে অপ্রতুল। খুব রেয়ার। কিন্তু দেখবেন কয়েকজনে গেমস খেলতেছে। আরেকজনে বলতেছে তুমি আসো। হে গিয়ে ওখানে বইসা ও গেমস ও আড্ডা ও জোয়া, ওই নাচ, ওই তামাশা এগুলার মধ্যে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এজন্য আমরা দেশের চিন্তা তো দূরের কথা। একটা দেশকে ভালো করা এটা তো চিন্তা পড়ে। আমরা আমাদের এখন ফ্যামিলিকেই কন্ট্রোল করতে পারতেছি না। আপনারা কিভাবে বুঝতেছেন বা আমার কথা হয়তোবা কিভাবে নিবেন জানিনা। কিন্তু আমি বাস্তব মানে ভুক্তভুগী হিসেবেই বলতেছি। আমরা আমাদের বাচ্চাদের হাতে কিতাব তুলে দেই, কোরআন তুলে দেই। তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে পাঠাই।
কিন্তু একটা সময় লেখাপড়ার প্রতি বই পুস্তকের প্রতি মানুষের যে আকর্ষণ ছিল যে টান ছিল এখন মানুষ হয়ে গেছে ডিভাইস মুখি এতে করে কি হইছে ধরেন এই যে মোবাইল টোবাল তো সবার হাতে কমবেশ থাকে কেউ প্রয়োজনে ব্যবহার করে কেউ আবার অপ্রয়োজনেও ব্যবহার করে যে যেভাবে ব্যবহার করে সেইভাবে সে রেজাল্ট পাবে এটা একটা সাক্ষী এখন ধরেন YouTube ফেসবুক নানান জিনিস দেওয়া আছে গেমস দেওয়া আছে এইযে ছোট ছোট বাচ্চারা বাচ্চা ভাত খায় না মোবাইল দিতে হবে তারে বাচ্চা মান মায়ের লগে যে তারে গেমস দিতে হবে এতে করে কি হইছে এটা কাফের মুশরিক যারা এরাও জানে যে এই আমাদের আমি কোন প্রতিবেদনে দেখেছিলাম যে বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি মোবাইল ব্যবহার করে বাংলাদেশের মধ্যে বিশ্বের অনেক বিশাল একটা জনসংখ্যা এখানে মুসলমান এরা কি করবে অনেকেই বেকার থাকে কাজ থাকে না তখন দেখেন আমি কি করলাম প্রয়োজন হইলো একজনের সাথে কথা বললাম কাজ ছাড়লাম সেটা ভিন্ন।
এখন আমি ধরেন ফেসবুকে ঢুকলাম YouTube এ ঢুকলাম হয়তো দুই এক সেকেন্ড একটু কিছু দেখব এই সেই এরপরে আমি আধা ঘন্টা এক ঘন্টা চলে যাচ্ছে কি যেন দেখতেছি এতে লাভ কি হইছে আর ক্ষতি কি হইছে কেউ আছে একটা কন্টেন্ট বানাইয়া একটা কিছু দিয়া হেভিজিপি দিয়া একটা কিছু ছাড়ছে এটা দিয়া টাকা কামায়ফেসবুকে ডলার একটা আসে ভিউ এর উপরে ডলার আসে একটা তারা মাসে একটা চার্জ মানে টাকা ওখান থেকে পায় তো যে তার বানাইল হেতো ছাইড়া দিল তো হে কি করলো? এখান থেকে কিছু টাকা পাইলো। ইন্টারনেট এর মাধ্যমে এটা দেখতে হয়। এখন ইন্টারনেট যারা কোম্পানি আছে বড় বড় তাদেরও এটা একটা ব্যবসা।
পৃথিবীতে এখন সবচেয়ে ফাস্ট মানে ব্যবসা মনে হয় ইন্টারনেট ব্যবসা যারা এগুলা তৈরি করেছে তারা প্রচুর ডলার কামা নিচ্ছে। আমাদের কোটি কোটি টাকা প্রতি মুহূর্তে কোটি কোটি টাকা ওরা হাতায় নিচ্ছে। এটা আমরা মুসলমানের বাচ্চা আমরা জানিও না। কিভাবে ওরা নিচ্ছে এটা কৌশলে। আমি তো টাকা বললাম দোকানে লোড দিলাম কিন্তু এই টাকাটা কোথায় যাচ্ছে এটা আমরা জানিও না এখন কি হইল যারা এগুলো আবিষ্কার করছে মোবাইল কোম্পানি মোবাইল বিক্রি করে ব্যবসা করে ফেল ফেলছে যে কন্টেন্ট বানাইছে তার ব্যবসাও হেপাইয়া যাচ্ছে যারা ইন্টারনেট ইন্টারনেট এগুলা আবিষ্কার করছে তার ব্যবসাও হয়ে যাচ্ছে আমার কি ব্যবসা হইছে এক নাম্বার আমার জীবনের মূল্যবান সময়টা নষ্ট হইছে দুই নাম্বার আমার লাভ হইছে আমার কষ্টার্জিত টাকা যেটা দিয়ে আমি অন্য কোন ভালো কাজ করতে পারতাম নেকির কাজ করতে পারতাম সেটা ইন্টারনেটে খরচ কইরা এই সেই দেখে আমি সেটা খরচ করলাম তিন নাম্বার যেটা হলো আমি এমন কিছু দেখলাম যেটা দেখে আমার লাভের জায়গায় লস হলো পাপ হলো মাথা জ্যাম হলো অথবা আমি এটা এই সময়টাতে একটা তিলাওয়াত করতে পারতাম কোরআন শিখতে পারতাম এটা না শিখে অন্য কিছু করলাম এইভাবে যদি আমি বলতে যাই শেষ নাই এগুলা দেখে ছোট বাচ্চারাও প্রভাবিত হয়।
এইভাবে দেখে দেখে সমাজটা যেন কেমন জানি। এখন আগে মানুষ কি করতো? এই অবসর সময় পাইলে বই পড়তো। এখন লাইব্রেরি গুলো অকেজ। বিভিন্ন জায়গায় পাটাঘাট থাকে না। এখন লাইব্রেরিতে কেউ বই ধরে না। আমরাও যে বই আমি ধরেন না আপনারা জানেন সবাই সর কাছাকাছি বই লিখেছি। তো আগে দেখা গেছে যে বিভিন্ন জায়গায় মসজিদে বইট নিয়ে যাইতাম। আলহামদুলিল্লাহ মানুষ প্রচুর বই নিত বা এমনেও বই প্রচুরই হইতো। এখন এগুলা কমে যাচ্ছে। মানুষ এখন আর বই-পুস্তক পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে রাজি না। এই এমনে হিবি এমনে এইটা দেখা ওটা দেখা এমনে এমনে এইভাবে আমাদের মূল্যবান হায়াত ফুরিয়ে যাচ্ছে। মৃত্যুর দিকে আমরা চলে যাচ্ছি।
তো এখন যেটা দাড়াইছে সেটা হল, এগুলা একটা মহামারী আকার। এটা আমার একটা খুতবায় যেতে অনেক কিছু হয়ে যাবে। আমরা আমাদের পরিবারটাই সামলাইতে পারতেছি না। অনেকে আমরা নিজেরেই নিজেদের নিজে সামাল দিতে পারতেছি না। এখন আমি আর যাব কার কাছে? একটা ছোট্ট ঘটনা। এই গত জুমায় ঈদের পরের দিনের যে জুমাটা গেল আমি সিরাজগঞ্জ গেছিলাম খুতবা দিতে। এটা বানানো হইলে বলতাম না। হয় কোরআন হাদিসের কথা। নাইলে নিজের যেটা নিজের সাথে গড়ছে বা চাক্খুস ওইটা। এর বাইরে না। তো ওখানে একজন লোক আছেন তিনি ওই মসজিদের দায়িত্বশীল এবং আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন। ভালো সম্পর্ক দাওয়াতি কাজ করার চেষ্টা করেন। উনার নিজের ঘটনা বলতেছি।
উনি ভালো নামাজি মানুষ। ফজরের ফজর পর্যন্ত বিষ হতো না। এরপরে উনি বলতেছেন যে হঠাৎ করে গত কয়েক মাস এই রাত্রি জাগরণ শুরু হয়ে গেল। ফেসবুক টেসবুক খবর টবর দেইখা রাত্রে ১২টা ১:০০টা বাইজা যাইত। আগে আগে ঘুমাইয়া পড়তেন এখন দেরি হয়ে যায় তো বলতেছে মাস দুই তিন এক হয়ে গেল ফজরের জামাত আর জামাত হচ্ছে না ছুটে গেছে ছুটে যাচ্ছে এগুলা নিয়ে কথা অথচ উনি একজন পাক্কা মানে নামাজী মানুষ আমলি মানুষ তেলাওয়াতগুলো ছুটে যাচ্ছে তো বললাম যে ভাই উপায় নাই তো আমার সাথে কথা বলার আগেই উনি ওই ফেসবুকের ফোয়াটাই লোক আউট করে দিছেন আর মানে ওই ডিভাইসটাই আউট করে দিছেন নিজেরে বাচা খাবার জন্য দেখেন একটা ভালো মানুষ কিভাবে কি হয় কি থেকে কি হয়ে যাচ্ছে তো যাই হোক ওদিকে আর না বাড়ি এখন কথা হলো বলছিলাম যেটা সময় খুব কঠিন আমি আমাকে নিয়েই চিন্তা করি ওইভাবে যদি আমরা প্রত্যেকের চিন্তা করি এবং প্রত্যেকের ফ্যামিলি নিয়ে চিন্তা করি তাইলে দেখা যাবে আমরা প্রমোশনের জায়গায় দনমুখী আখেরাতমুখী আল্লাহমুখী হয়ার প্রমোশনের জায়গায় আমরা আছি ডিমোশনে।
আমি হয়তো দেখবেন সবাই একটু হিসাব মিলাবেন। আগে হয়তো আমার তাহাজ্জুদ হতো বিগত বেশ কিছুদিন যাবত অনেকদিন থেকে ওইভাবে আর হচ্ছে না। আমার আগে নিয়মিত হয়তো তিলাওয়াত ছিল। আমি এখন হয়তো ছেড়ে দিছি বা ভুলে যাচ্ছি। জামাত আগের চেয়ে জামাতে শরিক হওয়া আমার কমে যাচ্ছে। আগে হয়তো আগাতে শোয়ার অভ্যাস ছিল। এখন দেরি হয়ে যাচ্ছে। এইভাবে আমাদের ডিমোশন হচ্ছে। আর রাসূ সলা বলেছেন তবা ওই ব্যক্তির জন্য সৌভাগ্য সুস্বাগতম ওই ব্যক্তির জন্য যে এককটা দিন সামনে তার হায়াত পারে আর এককটা দিন কি তার আমল সুন্দর হয় সুবহানাল্লাহ আল্লাহ তো আমাদের সৃষ্টি করেছেন এইজন্য মানুষরে যদি বলা হয় আমি ছিলাম না তাইলে কে বানাইলো বলে আল্লাহ বানাইছেন আর রাহমান আল্লাম কোরআন খালাকাল ইনসান এই জায়গায় মানুষের ভুল মানুষের দুইটা জায়গায় ভুল এই ভুলের কারণে এই অবস্থা এই অবস্থা সে জানে না তার স্রষ্টা কে মনে করে যে আইস খাই পুর্তি করি অথচ তার একজন স্রষ্টা আছেন সে নিজে নিজে দুনিয়াতে
আসে নাই আমরা কেউ এপ্লিকেশন করছিলাম আল্লাহর কাছে যে আল্লাহ এই নামে আমি একজন মানুষ দুনিয়াতে যেতে চাই আমারে অমুকদিন পাঠাবেন কারো কিছু মনে আছে কিচছু না তহলে প্রত্যেক মানুষের এক নাম্বার জানা দরকার যে তার একজন রব আছেন একজন স্রষ্টা আছেন মানুষ এই জায়গায় ভুল করেছে দুই নম্বরে তার জানার দরকার ছিল যে আমার রব কি আমাকে এমনিতেই খেলতামাশায় হিসেবে সৃষ্টি করেছেন না কোন লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ বলবেন না দুনিয়ার মানুষ ভুল বুঝ না আমি আসমান আমাদের কথা বলছেন নাম ধরে কিছু বলার দরকার নাই দেখেন তো এর মধ্যে কি বাদ পড়ে মুরব্ কথা বুঝতেছেন কথা বোঝা যায় আমার শোনেন মাইকের সাউন্ড ভালো আছেনি আচ্ছা আল্লাহ বলছেন আমি বানাইনি সামাও সাত আসমান যতগুলি আসমান আছে সব যত জমিন আছে জমিনবা আর এই আসমান আর জমিন মধ্যে যা কিছু আছে বাদ পড়ছে কে আমি মনে হয় বাদ পড়লাম আপনারা কেউ বাদ পড়ছেন তো এর ভিতরে যা কিছু আছে আল্লাহ বলছেন আমি একটা জিনিসও খেলার চলে বানাই নাই তামসা করার জন্য বানাই নাই তার মানে প্রত্যেকটা জিনিস আল্লাহ একটা লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বানিয়েছেন।
আবার কি বলেছেন? ও দুনিয়ার মানুষ তোমরা কি মনে করেছ এটা যে আমি তোমাদেরকে বানিয়েছি খেলার ফলে তোমরা তামসা করবা ফেসবুক দেখবা মোবাইল দেখবা গেমস খেলবা আর এইভাবে সময় নষ্ট করবা আর এগুলার জন্য তোমাদেরকে আমি বানাইছি তুমি আমার কাছে আসবা না আর তোমার জবাব দিতে হবে না তুমি কি এটা মনে করে বসে আছো এই জায়গাটায় ভুল আমি গত সোমবারে ইয়েতে হালুয়াঘাট গেছিলাম একটা প্রোগ্রাম উপলক্ষে এই তিনটা আয়াতই বুঝাইছিলাম তো ওরা আসলে ঝুম খাইয়া গেছিল শুনা যে আসলে এই জায়গাটাই আমাদের ভুল আমি ভুলে গেছি আমার একজন স্রষ্টা আছে আমি এটা ভুলে গেছি যে আমার স্রষ্টা তো আমাকে এমনে এমনে বানান নাই খেলার জন্য বানান নাই তামসার জন্য বানান নাই তাইলে পরের প্রশ্ন কি দাড়ায় আমি জানলাম আমার একজন স্রষ্টা আছেন।
এটাও জানলাম যে তিনি আমারে এমনে এমনে তামসার জন্য বানান নাই। তাইলে পরের প্রশ্নটা কি দাড়ায়? অটোমেটিকলি আপনি কন তো দেখি মাথার ব্রেন পরীক্ষা হ। প্রশ্নের পরে প্রশ্ন আছে। আমি আল্লাহরে প্রশ্ন করলাম আল্লাহ আমি এমনে আইছি না আপনি আমারে বানাইছেন? আল্লাহ কি বললেন? খালাকাল ইনসান। আল্লাহ মানুষ বানায়া দুনিয়াতে পাঠাইছে। পরে আমার প্রশ্ন ছিল এমনে এমনে খেলতামাসার জন্য বানাইছেন না কোন কাজ কামের জন্য বানাইছেন? আল্লাহ কি বললেন? না তামাসা করার জন্য তোমারে বানাইনি। পরের প্রশ্নটা কি দাড়ায় বলেন তো? আমি তো ওইটা বলছি না। আগে প্রশ্ন করেন। উত্তর পরে কি জন্য বানাইছেন? তাইলে কন এটা দাড়াই যায় না।
অটোমেটিক প্রশ্নটা দাড়া যায়। তাইলে এমনে এমনে আসি নাই। আপনি বানাইছেন আবার খেলার জন্য বানান নাই। কাজের জন্য বানাইছেন তাইলে কি জন্য বানাইছেন? বলেন এই জিনিসটা যদি মানুষ কোরআন থেকে নিয়ে নিত। আর এই টার্গেটটা যে আল্লাহ আমার আল্লাহ যিনি আমার রব যিনি আমার স্রষ্টা তিনি আমারে এই কয়েকটা কাজের জন্য বানাইছেন এইটা সামনে তার রুটিন যদি কাজের রাখতো এই পৃথিবীটা আর এই এই শিশু বাচ্চা তার মা এটা এক রুম থেকে আরেক রুমে গেছে আর সে খুজতেছে মেয়েরে আর তার লাশ পাবে এই দুনিয়া আর থাকতো না এটা অন্য জিনিস হইতো এখানে অনেক কথা আছে সংক্ষেপে মনে রাখবেন এগুলো আমরা আগে বলেছি আমি রিভিশন দিয়ে স্মরণ করায় দিচ্ছি খুতবা বয়ান ইসলামী জ্ঞান সবসময় নতুন কিছু শিখতে হবে এটা জরুরি নয় অনেক সময় আমরা নতুন শিখবো অনেক সময় জানা জিনিস ভুলে যাই সেটা আবার জানবো অনেক সময় জানা জিনিস আবার জানার মাধ্যমে রিভিশন দেওয়া হয় তিনটাতেই লাভ সুবহানাল্লাহ জানিনা জানলাম
জানতাম ভুলে গেছি আবার জানলাম জানি আবার নতুন করে রিভিশন দিলাম তিনটাতেইলা বলবেন এগুলা কেমনে প্রত্যেকটা সবসময় তো আয়াত বলা যায় না নবী তুমি স্মরণ করায়া দাও কারণ স্মরণ করানোর মধ্যে মুমিনদের উপকারিতা আছে জুমার যে সূরাটা পড়া হয় সরা মানে স্মরণ করা তার মানে আগে জানতো ভুলে যাচ্ছে আবার স্মরণ করা এ বলা হয় আর যদি বলা হয় নতুন করে জানান তখন আয়াত কি হইতো দেখি একজন বলেন তো নতুন করে জানতো না জানান তখন আয়াতটা কি হইতো আরবি জানেন না কেউ তখন আয়াতটা হ সুবহানাল্লাহ তুমি নতুন করে শিখাও মানুষরে কারণ তোমারে আমি শিক্ষক বানায়া পাঠাইছি আয়াতটা এরকম না অনেক কিছু মানুষ জানতো আবার ভুলে যাচ্ছে আবার মনে করা দাও আমি বারবার হয়তো বলেছিলাম কিন্তু হয়তো মনে নাই আমি তিনটা আয়াতকে সবসময় মাথায় রাখতে বলি আমি আমার জীবনে আমি এটা এই তিনটা আয়াত সামনে রাখি।
এই তিনটা আয়াত আমাদের হচ্ছে দুনিয়ার এই জীবনের রুটিন। আল্লাহ এই এই কাজগুলো সামনে রেখে আমাদেরকে পরিচালনা করতে চান। সূরা জারিয়াতের ৫৬ এই তিনটা আয়াত প্রতিদিন একবার সকালে মনে করবেন। এটা নোট রাখবেন। হয়তো রেকর্ডে আছে বা খাতা কলম থাকলে নোট নিয়ে নিবেন। আমি সুন্দর করে বলছি। আর কিচ্ছু মনে না থাকলে এই তিনটা কথা মনে রাখবেন মোবাইলে নোট করে নিতে পারেন জারিয়াত ৫৬ সূরা মুলক দুই আর সূরা আলে ইমরান ১১০ বলেন তো কি বলছি জারিয়াত ৫৬ আয়াত সূরা মুলকের দুই নম্বর আয়াত আর সূরা আল ইমরানের ১১০ সুবহানাল্লাহ প্রতিদিন একবার সকালে সৎ কাজ শুরু করার আগে এই তিনটা আয়াত একবার সামনে চোখ বুলাবেন আপনার সারাদিনের অর্ধেক দুশ্চিন্তা দূর হবে আপনার রাস্তা কলিয়ার হয়ে যাবে।
জারিয়াতের ৫৬ আয়াতে আল্লাহ বলছেন আমি জন ইনসান বানাইছি এবাদতের জন্য। তো আমি দিনের সকালে যখন এই চিন্তাটা আমার মাথায় আসল যে আমার কাজ তো হচ্ছে আল্লাহর দাসত্ব। আমিতো শয়তানের দাসত্ব করতে পারি না। এই চিন্তা মাথায় আসার পরে শয়তানি কাজ অটোমেটিক মাথা থেকে আউট হয়ে যাওয়ার কথা। যদি সে আল্লাহকে বিশ্বাস করে। যে আমার আল্লাহ তো শয়তানরে শয়তানের গোলামর জন্য আমাকে বানান নাই। তার গোলামর জন্য আমারে বানাইছেন। তাইলে কোন কোন কাজ করলে তার গোলামী হবে সেটা আমাকে বুঝতে হবে। আর আমার সারাদিন শুরুই হয় শয়তানের গোলামর জন্য। সকাল শুরু হয় শয়তানের গোলামী দিয়া। শয়তান বলছে দেরি করে ঘুম থেকে উঠ আমি দেরি করে উঠছি।
শয়তান বলছে ফজরের নামাজ পড়ার দরকার নাই। আমি পড়ি নাই। শয়তান বলছে সকালে উঠেই আপনার কিয়ের নামাজ কিয়ের ওযু। বাথরুমে যা আর সিগারেট একটা ধরাই দে। বাথরুমে গি সিগারেট ধরা দিছে। শয়তানের এবাদত শুরু হয়ে গেছে। এরপরে তো তার শয়তান কইছে যে কোরআন কিতাব ধরার দরকার নাই, তেলাওয়াতের দরকার নাই। ল মোবাইল ইন্টারনেট ওয়াইফাই চালু দে কোন ডিম পারছে এগুলা দেখ সময় কাটা। এইতো সময় কাটাচ্ছে। এরপরে ভাত খাইবো। এরপরে কোন কাজে যাইব। এইতো পুরা রুটিনটাই তো শয়তান দিয়ে শুরু হচ্ছে। শয়তান তো ওটাই চাইছিল। ঘুমানোর সময় ওটাই চাচ্ছিল।
ওই যে গিড়া দেয় ঘাড়ের মধ্যে গিড়া দেয় দিয়া সুন্দর করে বাচ্চারা ঘুম পাড়ায় না বাচ্চাদেরকে মায় ঘুম পাড়ায় না একটা ছোট ছোট বাচ্চা ওয়া কান্দে ঘুমায় না তো মায়ে কাজ করব এখন মা তো বাচ্চা নিয়ে কাজ করতে পারে না তখন মাও শোয়ার পান করে যে আমিও তোমার লগে ঘুমাইতেছি তো বাচ্চারে ঘুম পাড়াইয়া দেখবেন পিঠের মধ্যে থাবড়ায় আল্লাহ আল্লাহ এরকম কিছু একটা জিকির করে গান গায় কিছু একটা ভান কইরা বাচ্চারে ঘুম পাড়ায় সেইম কাজটা শয়তান ঘুমানোর সময় আপনার আমার সাথে করে কিন্তু আমরা বুঝি না নাম বাচা ঘুমাও তুমি লাইলুন তাল লম্বা দীর্ঘ রাত আছে তুমি ঘুমাও শান্তিতে ঘুমাও এরপরে সে গিরু দিয়া দেয় তিনটা গিরু দিয়া দেয় দিয়া আমাদের ভালো কাজের সবকিছু নষ্ট করে দিতে চায় এরপরে আল্লাহর নবী বলছেন কিন্তু আল্লাহর বান্দা যখন শেষ রাতে উঠে যায় আল্লাহকে স্মরণ করে যাকার এবং সে বলে আলহামদুলিল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহুলাশারিলাহ মুহাম্মাদ সুবহানাল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার আল্লাহু এই জিকিরগুলো করে তখন একটা গির বান্দা উঠে গেছে বাথরুমে গেছে সুন্দর করেছে আরেকটা গর খুলে গেছে এরপরে বান্দা আইসা আল্লাহু আকবার।
দাঁড়াইয়া গেছে আল্লাহর সামনে আরেকটা গিরোহ খুলছে। এই এই কাজ ছাড়া এই শয়তানের গিরহ এবং বান এই জাদু খোলার আর কোন অস্ত্র নাই। এখন যে মানুষ উঠে আল্লাহরে স্মরণ করলো না। পবিত্রতা অর্জনও ঠিক মত করলো না। শুধু হয়তো চোখ দুইটা ধইছে অজু করে নাই। সালাতেও দাড়াইলো না। কাজকাম শুরু দিল। শুরু করে দিল। সে কোন ধরনের মন নিয়া সারাদিন কাটায়? হাদিসের শব্দটা এত বড় হাউজের মধ্যে একজন বলেন তো দেখি। ওইখানে বলা আছে যে এই ধরনের মন নিয়ে সে সারাটা দিন কাটায়। সকালে উপনীত হয়। খাবিস নাফস খাবি নাফস। একটা খবিজ অন্তর নিয়া একটা ময়লাযুক্ত মন নিয়া একটা নোংরা মন মানসিকতা নিয়া সে দিন শুরু করে।
ওই নোংরা মানসিকতা নিয়া সারাটা দিন কাটায়। এজন্য যার ভালো এখানে সে খুত খুঁজে। কারো সাথে চক্কর লাগায়, কারোকে গালাগালি করে, কাউকে কারো গীবত করে, কারো বদনাম করে, কারো সম্পদ হননের চেষ্টা করে, কারো চিন্তাই করে, কারো পকেটে হাত মারে। এই সারাটা দিন একটা খারাপ মানসিকতা নিয়ে সে কাজ করে। আপনি একটা ভালো মানুষ ওর কাছে গেলে ও অস্বস্তি লাগবে। ওর কথা ভাল লাগবে না। ওর কাজ ভাল লাগবে না। কইবেন কোন বিপদে পড়লাম? জ হাদিসের কথা বলছি আনেন কিতাব আনেন বাইর কইরা যদি অনুবাদ দেখতে চান অনুবাদ মিলান তো এক নাম্বার আমি একটা সূরা বাইর করছিলাম একটু পরে যাচ্ছি এটাও দরকারি কথা যে আমি এমনে এমনে আসি আমি আমি দুনিয়াতে ছিলাম না আমি নিজের ইচ্ছায়ও আসি নাই কে পাঠাইছে আল্লাহ বানায়া পাঠাইছেন সারাদিন খেলবো গেমস খেলবো মোবাইল দেখবো এগুলার জন্য না কোন কাজের জন্য কথা কন না কোন কাজের জন্য খেলার জন্য নয় তহলে কাজ কি তখন আমি তিনটা কথা বলছিলাম যে তিনটা আয়াত প্রত্যেকদিন সকালে একবার চোখ বোলাবার জন্য তবে অনেকে এটা মনে না রাখলেও আলহামদুলিল্লাহ এটার সাক্ষী প্রমাণ আমরা পাই এই কথাগুলো কেউ কেউ খুব ভালোভাবে মূল্যায়ন করে অনেকে এইযে খুতবা দেওয়ার পরে ওযে লিংক দিতে বলেন বাসায় গিয়ে আবার শোনেন।
এই কথাগুলো একবার শুনলে মনে থাকে না। আবার বাসায় গিয়া রিপিট দেন। অনেক মুসল্লি আছে বাসায় গিয়া ফ্যামিলি নিয়া মোবাইলে বা যার যার যে ব্যবস্থা আছে স্ক্রিনের মধ্যে ফ্যামিলি নিয়া এই কথাগুলো আবার শোনেন। কেউ কেউ কাজে লাগান। নামাজের বেনামাজির পরিণতি নিয়ে একদিন মানিকগঞ্জে খুতবা দিছিলাম। তো পরের মাসে আবার যাওয়ার পরে এক লোক আইসা আমার সামনে কানতেছে ভাই আপনার এই খুতবা শুনে আমি আর জীবনে নামাজ ছাড়ি না আর কোনদিন নামাজ ছাড়ি নাই এর নাম হচ্ছে স্মরণ কর মুমিনকে কারণ মুমিন যখন ভালোভাবে একটা জিনিস সুন্দর করে জানতে পারে বুঝতে পারে এটা মুমিনের উপকারে আসে তাকে ভালোর দিকে নিয়ে যায় এই কথাগুলোর মধ্যে যদি উপকার না থাকতো তাইলে এই আয়াত কোরআনে থাকতো না।
এই আয়াত আউট অফ কোরআন থাকতো। আপনি কইবেন যে তিনটা আয়াত সবসময় মনে রাখার জন্য বলছিলাম দেখি মনে আছে কিনা। কার মনে আছে আপনি কন তো। ওই আয়াতগুলো কোথায় কোথায় জারিয়াতের ৫৬ মুলকের দুই আল ইমরানের ১০০ যদি কারো সময় থাকে এখনো তো কাজকাম ভালোভাবে শুরু হয় নাই আমরা ঈদের ছুটি খাটাচ্ছি অনেকে আবার অনেকের শুক্রবার শনিবার এটা বাড়িতে যাইয়া ওই আয়াতগুলো কোরআনের অনুবাদ অনেকের কাছে আছে সার্চ করলেও পয়ে যাবেন এক জায়গায় লিখে ফেলবেন এক জায়গায় লিখে আপনার যে দৈনন্দিন একটা টেবিল বা বালিশ একটা কিছু তো আছে ওখানে রাখবেন উপরে শিরোনাম একটা লিখে দিবেন দেখবেন আপনি পরের দিন থেকে আমারে অনেকের সাথে তো আমার নাম্বার টাম্বার আছে এর পরের দিনগুলো দেখবেন অন্যভাবে যাবে উপরে শিরোনাম লিখবেন যে হে আমার রব আপনি আমাকে কেন দুনিয়াতে বানিয়ে পাঠিয়েছেন নাম্বার ওয়ান একটা আয়াত দিবেন অর্থটা লিখে রাখবেন নাম্বার দুই ওই আয়াত আর অর্থটা লিখে রাখবেন তিন ওই আয়াত আর অর্থটা লিখে
রাখবেন প্রতিদিন সকালে একবার পইড়ন এক সপ্তাহ পরে মানসিক অবস্থা আমারে জানায়েন এগুলার সাথে আমরা নাই এস বলেছেন তুমি সকালে উপনীত হবে তারপরে ফজরের সালাত পড় একটা কোরনের আয়াত তুমি শিক্ষা করবেলা তোমার জন্য এই একটা আয়াতের জ্ঞান অর্জন করাটা পুরা একটা লাল উটনি মানে আরবের সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল এটা এটার থেকে উত্তম আর দুইটা হলে দুইটা উট থেকে উত্তম তিন আয়াত শিখলে তিনটা উট থেকে উত্তল এইভাবে এটা একটা সম্পদ কিন্তু আমি ওটার দ্বারে কাছেই নাই দ্বারে কাছেই নাই দুই নম্বরে কিল্লা এটা নিয়ে প্রত্যেকদিন একটু চিন্তা করা দরকার আমাদের আমি এখন এই জায়গায় ঢুকছি এত বয়ান দিয়ে লাভ নাই কারণ আমি নিজের থেকে ভাবি যে আমি নিজেই ডিমোশনের দিকে যাচ্ছি কিনা অনেক সময় আপনারা তারা কিছু মনে করবেন না।
শয়তান কিন্তু আমাদের সাথে আরো বেশি ওসওয়াসা দেয়। কইয়া রাখলাম। কারণ যে শয়তান তাড়ায় ওর উপরে শয়তানের খুব আরো বেশি থাকে। আমার কথা শুনে এতজন মানুষ যদি আল্লাহমুখী হয়ে যায়। কথার কথা একটা বেনামাজি বেনামাজি হয়তো শয়তানের রাগ বাড়তেছে না আমার উপরে। তো আমারে দিয়া এমন কিছু করাইব যাতে আমারে ফেসে ফালাইয়া আমার আমার এই কাজই বন্ধ করে দিতে চায়। অথবা পাপের মধ্যে জড়াইয়া আমার কথার আচর যেটা মানুষের উপরে পড়বে এটারে নষ্ট করে দিতে চায়। এইজন্য যারা দায়ী হয় এই ব্যাপারে অসচেতন না থাকার কারণে অনেক দায়ী দেখছি একটা পর্যায়ে গিয়া দবাস করে পড়ে গেছে কন্টিনিউ করতে পারে নাই শয়তানের আশ্র বড় মারাত্মক শয়তানের ছাপ বড় মারাত্মক এইজন্য যারা এলেম কালাম আছে দনের দাওয়াতের কাজ করে ২৪ ঘন্টা শয়তানরে পাহারা দিতে হয় কোন দিক থেকে আমারে পেচে ফালায় দিতেছে মুখ থেকে এমন একটা ফতোয়া বের করে দিবে ফতোয়ার কারণে পুরা মানুষের ধারণাই নষ্ট করে যাবে মুখফসকে বাইর হয়ে যাবে।
মানুষ তো আর এটা বুঝবে না। এটা সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। আমরা সবাই মুফতি হয়ে গেছি। অথচ ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল, ইমাম শাফি আরো বড় বড় মালিক যারা যাদেরকে মানুষ ইমাম হিসেবে মানে গ্রহণ করে নিয়েছে বড় বড় আলেম। তাদের কাছে চারটা ফতোয়া দেওয়া হলে একটার উত্তর দিতেন। অনেক সময় তিনটার ক্ষেত্রে বলতেন লাদ। এটা আমি জানি না। ওযে অমুকের কাছে যাও। আর আমরা এমন মুফতি সেজে গেছি আমাদের কাছে কোন ফতোয়াই অজানা নাই। আমরা পৃথিবীর সব জানি।
নাই কথা বড় বড় আলেম তাদের জীবনী পড়লে দেখা যায় যে অমুক আলেমের কাছে ২০টা মাসালা নিয়ে যাওয়া হচছে তিনি পাঁচটার উত্তর দিয়ে বাকিগুলা ফেরত দিছেন দিয়ে অন্যের কাছে বলতেন যে অমুকের কাছে যাও আমার জানা নাই রিসক নিয়ে কোন কতই দিতেন না তো সূরা মুলকের দুই নম্বর আয়াতে যেখানে তিনিতো সেই সত্তা যিনি হায়াত আর মত সৃষ্টি করেছেন লিয়া এটার অর্থ আপনারা কেউ লিয়া এটা একটা উজ্য ছিল এই আয়াতগুলি এখন পর্যন্ত অর্থসহ শিখেন নাই তো শিখামু কি আর করমু কি আর এই মসজিদে যদি ঢাকা শহরে এই অবস্থা হয় তাহলে গ্রামের মানুষের কি অবস্থা? আমাদের এই শিক্ষার অদবতন আজকাল পড়াশোনা কম।
কোরআনের প্রত্যেকদিন অর্থসহ কিছু আয়াত পড়া দরকার। আর এই যে বাচ্চাকাচ্চা আছে না হিবিজিবি সিলেবাস দিয়ে বড়ায় রাখছে। আমি আমার যারা মহব্বত করে আমি বলে দেই যে আপনার বাচ্চার বয়স সাত আট ন ১০ কিচ্ছু পড়ানোর দরকার নাই। সহি কোরআন তেলাওয়াত শিখান। আর আস্তে আস্তে কোরআনের অর্থ অল্প অল্প করে শিখান। আর বাংলা ভাষাটা কিছু শব্দার্থ যাতে পড়তে পারে এটা শিখান। আর ইংরেজি শব্দার্থ শিখাইবেন প্রচুর পরিমাণ। আর আরবি শব্দার্থ আর ভাষা শিখাবেন। দুই তিনটা বাংলা ইংরেজি আরবি তিনটা ভাষা শিখান। আর আমল শিখান ঈমান শিখান। আর অংকটা কিভাবে করতে হয় যোগ বিয়োগ তার ক্লাস অনুযায়ী শিখান। আর যে অনেক সাবজেক্ট এগুলা আসলে ছোট বাচ্চাদের তেমন দরকার হয় না।
এগুলা বড় হলে অটোমেটিক হয়ে যাবে। এই জায়গায় তারে যদি দক্ষ ভাষার দক্ষতা যদি দিয়ে দেওয়া যায় তার আয়াত যদি মুখস্ত করা দেওয়া যায় এমন একটা বই পড়াইয়া তার দিনের দুই তিন ঘন্টা সময় নষ্ট করা হচ্ছে এই বইটা তার পড়ে সে ধরেন পরিবেশ পরিচিতি বিজ্ঞান বা এই ধরনের কিছু সাবজেক্ট আছে পরিবেশ কাকে বলে আমাদের চারপাশ নিয়ে যা আছে এগুলা নিয়ে আমাদের পরিবেশ তৈরি হয় ফ্যামিলি কি যে এক ফ্যামিলির পরিবারে যারা আছে ফ্যামিলি হয় পরিবার পরিবারে কারা থাকে বাপ থাকে মা থাকে বোন থাকে পরিবেশে কি থাকে গাছ থাকে গাছ কিভাবে হয় যে একটা অংকুর বিষ থেকে উঠে তারপরে পানি চুষে আচ্ছা এগুলা বই পড়ে ধরেন একজনে শিখলো না এগুলা কি বড় হইলে এগুলা বুঝা যায় না এই লাইনগুলা মুখস্ত করাইতে করাইতে ওই সময়টা তো ১০টা আয়াত মুখস্ত করতে পারতো আল্লাহ তার ফিতরতের মধ্যে দিয়ে দিছেন সে যখন বড় হবে সে একজন মুসলিম সে জানবে এই পৃথিবী আল্লাহর
সৃষ্টি সে দেখবে একটা ফল হচ্ছে এখান থেকে বীজ হচ্ছে এখান থেকে গাছ উঠতেছে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে আয়াত মুখস্ত করাবেন লিয়াবলুয়াকুম যাতে তিনি পরীক্ষা করতে পারেন তোমাদেরকে অর্থ কি যাতে তিনি পরীক্ষা করতে পারেন তোমাদেরকে কিসের পরীক্ষা আইকুম তোমাদের মধ্যে কে আইকুম মানে কি তোমাদের মধ্যে কে আস মানে কি অধিক উত্তম কিসের দিক থেকে আম আমলের দিক থেকে মানে আল্লাহ এখানে বুঝাতে চাচ্ছেন আজকে ফ্রাইডে আমার সকাল থেকে নিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুরতে ঘুম থেকে উঠা থেকে ঘুম পর্যন্ত আমার একবারে শুরু থেকে আমার নামাজ তাহাজ্জুদ সালাত আমল আবাদত ময়ামালা সবকিছু মিলিয়ে আজকের দিনে আমি যা ভালো কাজ করব আমার টার্গেট হবে পরের দিন যাতে এই দিনে আমার ভালো কাজগুলির পরিমাণ আরো সুন্দর হয় এটা প্রতিদিনের রুটিন আল্লাহর দেওয়া সূরার নাম আয়াত নম্বর দুই হিসাব কয়দিন মিলাইছেন কয়দিন মিলাইছেন এই হিসাব আজকে আমি কি কি ভালো কাজ করলাম পরের দিন একটা বাড়ছে এই হিসাবটাই মাথায় আসছে কয়দিন এজন্য আমি এখন এই বয়ানটা সব জায়গায় দিচ্ছি যে আল্লাহ আপনাদের যে বানাইছেন এই লক্ষ্যটাই ভুলে গেছি যার কারণে এত ফেতনাফাসাদ এখন তো খারাপের প্রতিযোগিতা বলছি আল্লাহ বলছেন এই যে জান্নাতের বিবরণ দিয়েছেন আল্লাহ।
তারপরে বলছেন জান্নাত এমনে এমনে হবে না। প্রতিযোগিতা করো। কি কর? প্রতিযোগিতা করো। ভালো ঈমান ঈমান নেক আমল ভালো কাজে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হও। আগে আগে দৌড়াও। আর আমরা খারাপের দিকে এখন প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হই। ভালো কাজ বাদ দিয়া। তাইলে কি বুঝলেন? উত্তর দিতে হইব। আচ্ছা আর কিছু বলার দরকার নাই। খুতবা এখানে শেষ হইলেও সমস্যা নাই। খুতবায় যদি আমি আর একটা বাক্যও না বলি সমস্যা নাই। একটা আয়াত যদি একটা খুতবায় কেউ বুঝে আর এই আয়াতের আলোকে তার জীবন সাজাইয়া সে আল্লাহমুখী হয়ে যায় আর দরকার। পাঁচ ঘন্টা বক্তব্য দিলাম সারাদিন। এইদিকে শুনল এদিকে বাইর হইয়া গেল গা। মাথায়ও কিছু ঢুকলো না।
তেমন কিছু বুঝলো না। একটা আয়াতের তাফসীরও শিখলো না। দরকার নাই তো এগুলার। বালতাবাজি। এখন ডাইরেক্ট কইয়া দেই এগুলা আর কিছু ইয়া করি না ওই কিচ্ছা কাহিনী এমনে এমনে ফালতু এগুলা দরকার নাই একটা আয়াত কোরআন একটা জুমায় কিচছু দরকার নাই দুইটা আয়াতের তাফসীর পেশ করেন মানুষ আয়াতের অর্থ জানো কারণ এটা আল্লাহর কথা এটা এফেক্ট করবেই মানুষকে এত বাইরের এমনে এমনে আলতুফালতু কথা বলার কোন দরকার নাই মাসে চারটা জুমা চারটা জুমায় যদি চারটা আয়াতের অর্থ শিখে আর মুখস্ত করে আর ওটা নিয়ে ভাবে এক আয়াত পড়ে মানুষ মুসলমান হইয়া দ্বীনদার হয়ে যায় আল্লাহওয়ালা হয়ে যায় চারটা আয়াত তো অনেক বেশি আর এক মাসের চার আয়াত হলে বছরে ১২ মাস চার ১২ ৪৮ আয়াত তো অনেক কিছুই তো এতো আলিম হয়ে যাচ্ছে আস্তে আস্তে অথচ আমরা কিছুই শিখতেছি না ধরে রাখতে পারতেছি না দরকার নাই তাইলে জারিয়াতের ৫৬ কি বুঝলাম সকালবেলা আমার কি ধারণা মাথায় আসবে যে আল্লাহ তো আমারে তার এবাদতের জন্য বানাইছে আমারে তো আমার আল্লাহ শয়তানের এবাদতের জন্য বানান নাই।
তাইলে আল্লাহর এবাদত কিভাবে হবে? আমাকে ঘুম থেকে উঠেই আল্লাহরে স্মরণ করতে হবে। পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। সালাতে দাঁড়াইতে হবে। একটু তেলাওয়াত করতে হবে। এইতো আপনি আল্লাহর জিম্মায় চলে গেলেন। ফজরের যখন দুই রাকাত সুন্নত হল এই কথাটা বলছিলাম কিনা। অনেকে আলহামদুলিল্লাহ মসজিদ পড়ে গেছেন শুনেন। একটা পরিসংখ্যান বলি। হয়তো বলছিলাম কিনা জানিনা। অন্যান্য মসজিদে বলছি এখানে বলছি কিনা। এই পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মানুষের একটা পার ডে ইনকাম থাকে। আমারও আছে আপনারও আছে। ব্যবসা হোক বাই হোক একটু কম বেশ হইতে পারে। কিন্তু সবার একটা ইয়ে আছে। চাকরি শুধু যারা চাকরি করে ৩০০ টাকা বেতন পার ডে কত ইনকাম করে? না বুঝেন না? অংক বুঝেন না? ১০০০ টাকা ইনকাম করে।
যদি ৬০০০০ টাকা বেতন হয় পার ডে কত ইনকাম করে? ২০০০। ব্যবসা হলে তো আর এটা ফিক্স করা যায় না। তবে তো একটা এমাউন্ট থাকে। একটা লিমিট থাকে। এমন কোন একজন ব্যক্তিত্ব দুনিয়াতে আছে যার পার ডে সবচেয়ে বেশি ইনকাম থাকতে পারে না তো ওই ইনকামটা তার হিসাবের ভিতরে আছে না হিসাবের বাইরে আছে কথা বোঝেন না মনে হয় হিসাবের ভিতরে তো আছে ধরেন কয়েক মিলিয়ন ডলার কামাইলো একটা হিসাবে তো আছে যে এই ব্যক্তিটা সারা পৃথিবীর যত মানুষ আছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইনকাম করছে বা একদিনে সারা পৃথিবীর মানুষ কি ইনকাম করল তারও তো একটা হিসাব বের করা যাবে তাই না এবার একটা হিসাব দেই এই যে এত কিছু করে একটা ইনকামের পরিমাণ দাড় করানো রাসূুল্লাহ কি বলছেন একজন ব্যক্তি চাই অনুবাদ করে দিবেন বলেন তাড়াতাড়ি বলেন সময় নাইদুনিয়া রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু হ্যাঁ ফজরের দুই রাকাত সুন্নত রাকাতাল ফাজরী ফজরের দুই রাকাত সুন্নত এর পরিসংখ্যানটা আল্লাহর নবী বলছেন দিনের
শুরুতেই আমি তো এটা দিয়েই শুরু করি যদি তাহাজ্জুদ না পড়তে পারি তাইলে এটার পরিসংখ্যান আল্লাহর নবী বলছেন যে তুমি ফজরের দুই রাকাত মানে কি কামাইলা খাইরুন উত্তম মানে এটা ক্যালকুলেশনটা সমানে সমানে হচ্ছে না মানে এটা ওটার সমান যেমন এখানে একটা কাঠ আছে এটা সমান এটা এটা বলা হচ্ছে না মানে এটাকে ক্রস করে চলে গেছে সামনে কি থেকে মিনাদুনিয়া এই দুনিয়া ওমাফিহা এবং এর মধ্যে যা এসেট আছে পুরা দুনিয়া এবং পুরা দুনিয়ার মধ্যে যা এসেট আছে ঢাকা শহরে এক শতাংশ জায়গার দাম কত কোটি টাকা ছাড়াইয়া গেছে গা এই পুরা ঢাকা শহর না একবারে সবচেয়ে পৃথিবীর নামি যে যেমন হংকং আপনি যদি যান এই ছোট্ট মনে করেন এই মিম্বরে যতটুক জায়গা আছে অত সব বাদ দিলাম একটা মানুষ শুধু শুইতে পারবে আর সামান্য একটু কিছু রাখতে পারবে ওই জায়গাটার ভাড়ার দাম আসবে মাসে হয়তো বাংলাদেশি টাকায় এক দেড় লাখ টাকা আমাদের লোকজন বন্ধু বান্ধব থাকে তো এগুলা
নিয়ে কথাবার্তা হয় বিভিন্ন মানে ব্যয়বহুল শহরগুলোতে যান সামান্য ছোট্ট একটা রুম যেটা আপনি বাথরুম বানায়া রাখছেন ওইটার ভাড়া আছে দেড় দুই লাখ টাকা তাইলে এই পৃথিবীর কত মূল্যবান আমরা হিসাব করতেছি তো আল্লাহর নবী বলছেন যে ব্যক্তি সকালে দুই রাকাত ফজরের সুন্নত পড়ে নিল, যে আমলটা করতে সময় লাগে আড়াই থেকে তিন মিনিট, সূরা ফাতেহা দুই রাকাতে দুইবার পড়া লাগে। সূরা খলিয়া অথবা এখলাস দুইটা পড়া লাগে বা অন্য কোন সূরা আর দুইটা রুকু করা লাগে, চারটা সিজদা করা লাগে, তাশাহুদ পড়া লাগে, দোয়া দুরুদ একটু পড়া লাগে।
এইতো এই আমলটা যে ব্যক্তি সকালে করে নিল মানে সে পুরা দুনিয়ার অ্যাসেট যে কামাইতে পারতো তার থেকে অগ্রিম চলে গেছে তার এসেট আরো বেশি কয়জনে বুঝছি আজকের ফজরে এটা কয়জনে বুঝছেন এখানে অনেকে আছেন ফজরের সুন্নত পড়েন নাই জি আমি নিশ্চিত করে বলছি আপনি জানেন আমি আর কি কি বলব কি ওয়াজ করব কি খুতবা দেন কি বুঝাচ্ছি আল্লাহরে কি হারাইলাম এই যে আজকের জুমার দিনের ধরেন এটা এটা জুন মাস শুরু হইছে তাই না তো জুন মাসের আজকে কত পা তারিখ না সাল কত ২০২৬ না আপনি বলবেন যে জুমা তো আরো আসবে বাট ২০২৬ সালের পাই জুনের যে জুমাটা আর জিন্দেগীতে আসবে না কিয়ামত পর্যন্ত আসবে না তলে আজকের ফজরের সুন্নতটা পড়লে আমি সারা পৃথিবীর চেয়ে বড় এসেট কামাইতাম।
এই যে লসটা এটা রিকভারি করার সুযোগ হায়াত যদি কেয়ামত পর্যন্ত হয় তাও আসবে না। লস লস কিছু লস রিকভারি হয় আর কিছু লসের কোন রিকভারি হয় না। লস লস গেছে তো গেছে। আমও গেছে সালাও গেছে। কয় না মানুষ মাঝে মাঝে আম গেল সালা যদি সুন্নতের তাই হয়। সুন্নতের পরিসংখ্যান যদি তাই হয় তাইলে পরে আরো দুই রাকাত ফরজ আছে না এটা মিলাইবেন এখন কার লগে এতো দুনিয়া সব কাভার করতে পারে নাই সুন্নতেই দুনিয়ারে মিলাইতে পারে নাই দুই রাকাত সুন্নত সারা দুনিয়াকে ছাড়াইয়া গেছে এখন ফরজ মিলাইবেন কার লগে কিছু নাই তো এখন যদি বলা হইতো কোন হাদিসে এরকম যে দুই রাকাত ফরজ পড়ল সে জান্নাতুল ফেরদৌস পয়ে যাবে এটাও পাওয়া যাচ্ছে না আরো কিছু বড় সুবহানাল্লাহ এর চেয়েও বড় কিছু কারণ জান্নাতেরও একটা সীমাবদ্ধতা আছে এটা আল্লাহ বানাইছেন তাইলে ফজরের ফরজের হাদিসটা কি আল্লাহ রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু অনুবাদ করেন জোরে অর্থ যে ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাত সালাত জামাতে পড়ল সমান সমান কি? মানে কি? সে সরাসরি আল্লাহর কোলে আল্লাহর জিম্মায় চলে গেছে।
সুবহানাল্লাহ। এর বিনিময় দুনিয়া দিয়েও হবে না, জান্নাত দিয়েও হবে না। কোন জিনিস দিয়েও হবে না। এই মানুষটার জিম্মাদারী আল্লাহ নিয়ে নিয়েছেন। আল্লাহই তার সবকিছুর জন্য দায়িত্বশীল। এরে ঠেকানোর পৃথিবীতে আর কোন শক্তি নাই। তা আমি তো দুই রাকাত ফরজ মিস করলাম মানে কি? আমার আল্লাহরেই আমি মিস করলাম। এগুলা কয়দিন মিলাইছি আমরা? সুবহানাল্লাহি ওলহামদুলিল্লাহ। ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার। তাইলে তিনটা আয়াত সামনে রাখবো। জারিয়াতের ৫৬ মূলকের কত? >> দুই।
আর আরেকটা কথা বলছিলাম আল ইমরানের ১০৩ শুনেন একটা কাজ দেই কাজ তো করবেন সময় তো চলে যাবে আমার কথা শুনেন আর না শুনেন কিন্তু আমরা এগুলা করতে বাধ্য কিন্তু আমার কথায় আপনার বাধ্য হওয়ার দরকার নাই আপনার স্রষ্টার জন্য আপনি বাধ্য হন সব কাজ পড়ে থাকবে আহা আমার আমার জীবনে যত মৃত্যু সম্পর্কে জানি আমার একজন খুব মহব্বতের একজন মানুষ সেনাবাহিনীর রিটায়ার্ড অফিসার বদরুল আলম নাম ছিল এই শেরপুরে মাদ্রাসায় প্রায় সময় আসতেন উনার ছেলেমেয়ে পড়তেও দিয়েছিলেন এতিম বাচ্চাদের জন্য অন্যদের থেকে টাকা এনে আমাকে প্রায় সময় ৫ হাজার এরকম এতিম ফান্ডে দিতেন সুস্থ মানুষ সব কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে ওনার শহরে একটা বাড়ি আছে গ্রামে একটা বাড়ি ঘর মেরামত করতেছেন বানাচ্ছেন মাঝে মাঝে গেলে থাকবে ওইখানে বিদ্যুত কি কাজ করতে যাইয়া উনি একটু অংশগ্রহণ করছেন।
ওই সময় বিদ্যুতের শট খাইয়া উনি দুনিয়া থেকে বিদায় নিছেন। সবকছু সাজানো। উনার স্ত্রী মানে এক সপ্তাহ যাবত সেন্স মানে ফিরে পায়নি। প্রায় পাগলের মত হয়ে গেছে। তাদের সম্পর্কটা খুব কাছাকাছি ছিল। মানে ওই আমার মাদ্রাসায় আসতে উনার অনেক সময় স্ত্রী নিয়ে আসতেন। একসাথে খাইতেন। একসাথে কোথাও যাইতেন। মানে সম্পর্কটা মানে আমার পরিবারের সাথে মাঝে মাঝে কথা হয়। তো উনি বলতেছিল যে আমার স্বামী মারা গেছেন। আমি তো এটা মাইনে নিতে পারতেছি না। আমি মনে করতেছি যে সে ওখানে বসা। সে হয়তো ওই খাটের কোনায় আছে। ভাই এর নাম হচ্ছে দুনিয়া। আজকের ঘটনা আপনারা এই নিউজ হয়তো এখনো পান নাই।
পরে পাবেন। আজকের আমি জায়গাটা ভুলে গেছি। ওইযে রোজারীতে একবার ফেরিঘাট থেকে লাউঞ্চ ঢুকে কতজন মানুষ মারা গেল না। এরকম একটা ঘটনা আজকে ঘটছে। দৌলতিয়ানা কোথায় জানি? হ্যা আজকে এরকম যাত্রী ভাই একটা বাস নিচে চলে গেছে। এই টাঙ্গাইলে ১৫ জন মানুষ ঈদের আগে টাকের উপরে উঠছিল বাড়ি যাবে। ১৫ জন মানুষ লাশ হয়ে গেছে। অথচ তাদের বউ অপেক্ষায় আছে। বউ বাচ্চা অপেক্ষায় আছে। বাড়িতে আসবে ঈদ করবে। সে হয়তো কামাই রোজগার করে সুন্দর করে সাজাইয়া নিয়ে যাচ্ছে। হয়তো বাচ্চার জন্য কিছু জিনিস কিনেছে। বউয়ের জন্য কিছু জিনিস কিনেছে। মাঝখানে সে নাই। বউ বউর জায়গায় বাচ্চা বাচ্চার জায়গায়। এটা হচ্ছে আমাদের লাইফের মানে পরিস্থিতি বুঝাচ্ছি।
তো ভাই কার জন্য সময়টা কার জন্য দিচ্ছি আর কিভাবে বললে আমার দায়িত্ব আদায় হবে আর আর কিভাবে বললে আপনারাই ভাই একটু সচেতন হবেন আমার তো আর মাথায় ধরে না তাইলে ঘুম থেকে উঠে আমার এক নাম্বার চিন্তা আমারে আল্লাহ আমার আল্লাহ আমার আমাকে কি জন্য বানাইছেন তার তার এবাদতের জন্য শয়তানের এবাদতের জন্য নয় তাইলে এই চিন্তা যখন একজন মানুষ সকালে তখন শয়তানি সমস্ত চিন্তা সমস্ত কাজ তার আউট অফ ব্রেন চলে যাবে। তার ব্রেনে আর এটা আসবে না যে না একটা শয়তানি কাজ সামনে আসবে। বলবে যে না এটা আমার তো আল্লাহ আমার রব তো এটার জন্য বানান নাই।
সে চিন্তা করবে মসজিদ কোথায় গেলে পাব? একজন আলেমের সাক্ষাৎ কোথায় গেলে পাবো? কোরআন কোথায়? এই তোমাদের বাসায় কি কোরআন আছে। আগে আগে মেহমান বাসায় গেলে কোরআন খুজতো। তাহাজ্জুদের জন্য পানির ব্যবস্থা রাখত। হ্যাঁ এইগুলা আর এখন দ্বীনি বই পুস্তক এখন তো ওগুলা না একটু ঘুরবে গারবে একটু এমনে এমনে দুই নাম্বার হলো প্রতিদিন আমাকে এই চিন্তা করতে হবে যে আমি যে গতকালকে একটা দিন পার করলাম একটু চোখ বন্ধ করে চোখ বুলাবেন দুইটা দিক আছে খারাপ দিক ভালো দিক খারাপ কি কি কাজ করলাম অনেক কিছু হয়ে গেছে আল্লাহ মাফ করে দাও আগামী দিন আর খারাপ কিচ্ছু করবো না স্টিল সিদ্ধান্ত নিলেন।
আবার ভালোর দিকে চোখ বুলাইলেন হ্যাঁ নামাজটা তো জামাতে হইছে কিন্তু সুন্নতটা তো পড়তে পারলাম না এই সময় একটু মনোযোগ দিয়ে নামাজ পড়তে পারি নাই গতকালকে তো তেলাওয়াত একটু কম হইছে এইরকম ভাবে একটু চোখ বুলাইলেন মিলাইলেন আজকে চিন্তা করবেন যে না আরেকটু বাড়াইয়া আরেকটু সুন্দর করে ভালো কাজগুলি করব এই চিন্তা যখন সকালে মাথায় আসে দিনটাই অন্যরকম হয়ে যায় এবার এই দুইটা তো বললাম তিন নাম্বার আয়াতের কথাটা কি সূরা আল ইমরানের ১১০বিলমারুফ একজন উমা মানে কি তোমরা শ্রেষ্ঠ জাতি আমাদেরকে আল্লাহ বলছে আমরা কোন জাতি শ্রেষ্ঠ জাতি কিন্তু এই শ্রেষ্ঠত্ব পরের কাজ প্রমাণ করবে পরের কাজ করলে শ্রেষ্ঠত্ব ঠিক থাকবে আর পরের কাজ না করলে একেবারে অদল গবরে আমি শ্রেষ্ঠ জাতি হয়ে আমাকে চলে যেতে হবে যে মানুষ সম্মানের আসনে উঠে সম্মান রক্ষা করতে না পারলে অদতনে চলে যায় মানুষ তো তোমারে দেখতে পারে না ক্ষার জানায় আল্লাহ বললেন আমার বান্দাবান্দরা তোমরা শ্রেষ্ঠ উম্মত শ্রেষ্ঠ জাতি তোমাদেরকে আমি কেন বানাইছি জানো? তোমাদেরকে আমি বের করেছি মানে তোমাদেরকে আমি সৃষ্টি করেছি এই কারণে যে এটা লিন্নাস মানে মানুষের উপকারের জন্য।
পরের উপকার করার জন্য অন্যের কল্যাণ সাধনের জন্য। এক কথায় তোমার মধ্যে মানব কল্যাণে কাজ করার স্পৃহা থাকতে হবে। এই মানব কল্যাণের জন্য তোমারে আমি বানাইছি। আর আমি কি করি? উল্টাইয়া মানব দুশমন হিসেবে পরিণত হয়েছি। আল্লাহ বলছেন, আমার পরিচয় হচ্ছে আমি একজন মানব কল্যাণকামী। আমি মানুষের কল্যাণ চাই। একজন বিপদে পড়লে তারে উদ্ধার করি। একজনের সম্পদ থাকলে হেফাজত করি। একজনের মেয়ে তার বাপ মা নাই। কোথা থেকে এখানে চলে আসছে। বিপদে পড়ছে। আমি তারে উদ্ধার করে তার বাপ মার কাছে পৌঁছাইয়া দেই। আমি একজনের সম্পদ হয়তো তালা নষ্ট। আমি এটা খুলে তার সম্পদ চুরি করতে পারি না। আমি এটা করবো না।
আমি তার এটা আরো হেফাজত করি। আল্লাহ বলছেন তোমারে আমি এইগুলার জন্য আমি বানাইছি। আর আমি হইছি চিন্তাইকারী। আমি হইছি চুর আমি হইছি বাটপার। আমি হইছি আরেকজনের কেমনে সারাদিন বাস দেওয়া যায় হই চিন্তা। আরেকজনের গীবত নিয়া সারাদিন ব্যস্ত। কিছু মানুষ আছে কাজই এটা। কারে ঠোকাবে কারে মারবে কারে খাবে। ওদের নিজস্ব কোন কাজ কাম নাই। কার পকেট কেমনে কার পকেটে কেমনে ছুরি লাগাবে ওই চিন্তা একটু সাবধানে থাইকেন অভিনব পদ্ধতিতে আপনার বিকাশ থেকে টাকা চলে যাবে আপনার ব্যাংক একাউন্ট পর্যন্ত হ্যাক হয়ে যাবে অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে আপনার পকেট থেকে আমরা আগে জানতাম ছুরি দিয়া কাইটা পকেট থেকে কিছু নিয়া যাইত কিছু একটা সঙ্গাইয়া দিত অজ্ঞান করার জন্য আরো অভিনব টেকনিক ওরা আবিষ্কার করেছে ও জাস্ট আপনারে নাকে কিছু ধরা লাগবে সাইড দিয়ে কিছু নিবে হয়তো আপনি অজ্ঞান।
আর পকেট এখন কাটা লাগে না। আমার ঘটনা ঘটছে। আমার পাঞ্জাবির পকেটে একদিন মানে দেখি ছিদ্র। তখন আমার কিছু হারায় নাই। কিছু পড়েও নাই। কিন্তু ঘটনা হয়তো ঘটাইছিল মোবাইল টবাইল তো থাকে নেওয়ার জন্য। মানে একটা কিছু ছোয়া দেয়। ওই ছোয়ানোর সাথে সাথে দেখবেন ওই জায়গাটা একদম পচে গেছে। কাটে না। মানে এখানে আর কোন স্টে কাপড়ের যে একটা সুতার স্ট্রেন্ আছে না এটা নষ্ট হয়ে যায়। পকেটে কিছু থাকলে অটোমেটিক পড়ে যায়। কি একটা জিনিস এটা আবিষ্কার করছে। এটা ছোয়ায় দিলেই ওই কাপড় ওইটুকু মনে কাটার মত আলাদা দ্বিখন্ডিত হয়ে যায়। আমি একদিন পরে ছিদ্র নতুন পাঞ্জাবি এটা আমারে একজন মালয়েশিয়া থেকে এনে গিফ করেছিলেন আমার এক ছাত্রীর মা।
তো এটা আমি একটু মহব্বত করে পড়ি। সফট কাপড়। পরে দেখি পকেটের নিচ দিয়া ছিড়া। তো কইলাম এটা কাটলো কে বা কিস? মনে হয় ছিড়ে গেছে। তো দেখি যতটুকুতে লাগছে মেডিসিনটা অতটুকু ছিড়ছে। বাকিটা শক্ত ছিড়ে না। তো আমি তাকাইও নাই। পরে তাকাইয়া দেখি এটা অন্য কালার হয়ে আছে। মানে এখানে কোন রং রঙের মত কিছু একটা লাগাইয়া হয়তো কিছু করতে চাইছিল। কোন সময় কি হইছে? এমনে তো রাস্তায় ঘুরাঘুরি করি। আমি উলার মনে নাই। অনেক সাবধান থাকবেন। ট্রেনের যে স্টেশনগুলো আছে বা বাসের যে স্টেশনগুলো আছে একবারে সাবধান থাকবেন। কারণ এখানে কয়েক জুড়ি থাকে।
কয়েক জুড়ি থাকে আপনার একজনে নিয়াই আপনার জিনিসটা আরেকজনের হাতে দিয়ে দিব আপনি ওরে দোষবেন দেখেন নাই ও কিন্তু তার বন্ধুরে দিয়া দিছে ও চলে গেছে সাথে কাছে পুলিশের কাছে যাইবেন পুলিশ আপনারে কোন হেল্প করবে না ও বলবে যে এগুলা জানিনা হেলপ করলে ঘুরাইয়া পেচাইয়া শেষে ওই দিন শেষে ওই পুলিশও একটা ভাগ পায় আর কি কম এই সমাজটাতে আমরা এখন বসবাস কর আল্লাহুম্মা আল্লাহু আকবার তো সূরা আল ইমরানের ১১০ নিয়ে কথা হচ্ছে তাই না সময় খুব কম একটু মনোযোগ টাইম শেষ করতে হবে তোমরা শ্রেষ্ঠ জাতিস তোমাদেরকে বের করেছি সৃষ্টি করেছি কি জন্য মুরব্ন কি জন্য লিন্নাস মানে কি লিন্নাস মানে কি লিন্নাস মানে মানুষের জন্য তবে লাম গ্রামারের একটা গোপন অর্থ আছে এখানে এই লিন্নাস মানে অর্থ কি মুখস্ত কর ভাষা আরবি ভাষা কিছু পড় কিছু মানে পারতো লিনাসের অর্থ মুখস্ত করলামের মধ্যে নাফন শব্দ উজ্য আছে আর আলা ক্ষতির জন্য আসে মনে রাখবেন আলা হরফেলাম বিপক্ষে আর লাম আছে উপকারের অর্থে।
লিননাস মানে লিনাফিনস। তাইলে আল্লাহ মানব শত্রু হওয়ার জন্য আমারে বানাইছেন না মানব কল্যাণী হওয়ার জন্য বানাইছেন? কি বুঝলাম? তাইলে যে মানুষটা সকালে এই চিন্তা মাথায় রাখে আল্লাহ আমারে একটা সুন্দর দিন দিয়েছেন এবং তিনি আমাকে যত মানুষের সাথে আমার সাক্ষাৎ হবে, যত মানুষের সাথে আমার মোলাকাত হবে, যত মানুষের সাথে আমার লেনদেন হবে, তাদের উপকারের জন্য আমারে বানাইছেন। তাইলে চিন্তাইটা করে কেডায়? আপনার পকেটটা কাটে কে? আপনার মেয়েটারে তুলে নিয়া ধর্ষণটা করে কে? ধর্ষণের পরে অজ্ঞত রাখে না। ওরে মেরে লাশ দ্বিখন্ডিত করে। লোকটা কে? সে কে? কুইজি আসলো কত থেকে? আসমান থেকে পড়ছে। কোন গাছে ধরছে। এর পরিবারের এক নাম্বার দোষ।
তার পরিবার তারে জন্ম দিছে, খাওয়াইছে, চিকিৎসা করাইছে। কিন্তু তার রব কেন তারে সৃষ্টি করেছেন? এই শিক্ষাটা তার পরিবার তারে দেয় নাই। এক নাম্বার দোষ হইলো ওইটা। মায় বুয়েটের শিক্ষক বানাইতে পারছে। সচিব বানাইতে পারছে। কানাডা প্রবাসী বানাইতে পারছে। কিন্তু মার এটা এটা শুধু ছেলেদের দোষ না। যে মাটা মারা যাওয়ার পরে সাতদিন পরে আছে। লাশ পোকায় খাচ্ছে। বাপ মা ছেলে মেয়ের কোন খোঁজখবর নাই। এই দোষ মায়েরও ভাগ আছে। মায় বুয়েটের শিক্ষক বানাইতে পারছে। কিন্তু মায় কোরআনের আয়াত শিক্ষা দিয়া বাপ মার দায়িত্ব কি সেটা বুঝাই দিতে পারে নাই। কোন আলেমের বাপ মার এই খবর অন্তত আপনারা শুনবেন না।
যার ভিতরে কোরআনের আয়াত আছে আল্লাহর ভয় আছে। আমি আমরা দেখি তো এজন্য ভাই বন্ধুগণ সন্তানরে শিক্ষিত বানান সমস্যা নাই। তবে সন্তানরে আগে মানুষ বানাবেন। সন্তানরে মানবতা শিখাবেন। সন্তানরে দ্বীন শিখাবেন। সবকিছু পরে আশ্চর্যের ব্যাপার। পাশের ফ্লটে মেয়ে থাকে আর পাশের ফ্লটে মা মরে আছে কোন খোঁজ নাই এটা মাইনা নেওয়া যায় এটা কোন সভ্যতা আর বাংলাদেশের মত জায়গা এটা যদি ফ্রান্স ইতালি বা অন্যান্য বিধর্মী রাষ্ট্র হইতো ওগুলায় ছেলেমেয়েরা বিয়ে করে চলে যায় বুড়াপুরির খবর থাকে না ওটা এক কথা বাংলাদেশে পারিবারিক বন্ধনটা আদিকাল থেকে অনেকটা মজবুত সেই জায়গায় এই কথা আল্লাহ তুমি হেফাজত করো >> তো কথা ছিল অনেক সময়ে অতিক্রম করে যাওয়া যাবে না।
আল্লাহ যদি তৌফিক দান করেন সেগুলা পরে হবে। এবার বলেন আজকের খুতবায় কি শিখছেন? আপনি কন তো আজকের গোটায় প্রায় আমি এক ঠিক সোয়া বটায় দাঁড়াইছি। এখন সয়াটা বাজে। ফুল এক ঘন্টা আলোচনা করলাম। কি শিখছেন কন তো? প্রথমে কি দিয়ে শুরু করছিলাম যে আমরা একটা ফেতনাময় পরিবেশে পড়ে গেছি কেয়ামতের আলামত আমাদের সামনে হাজির অতএব সচেতন সাবধানতার সাথে আমাদের চলতে হবে তারপরে এই এই পৃথিবীর এই অবস্থাটা কেন কেন আমরা এত খারাপ হয়ে গেলাম যে আমাদের সৃষ্টির লক্ষ্যটাই আমরা ভুলে গেছি আল্লাহ কেন আমাদের বানাইছেন সেই জিনিসটাই আমরা ভুলে গেছি সেখানে আমি বলছিলাম তিনটা আয়াত টেবিলের সামনে সাজায় রাখতে পারবেন নি ইকবাল ভাই তিনটা আয়াত আজকে বাড়িতে গিয়া কোরআন থেকে বাইর কইরা আপনি বা আপনার ছেলেরে দিয়ে লেখাইয়া আপনার টেবিলের সামনে সাজায়া রাখবেন প্রতিদিন সকালে একবার দেখবেন পারবেন নি আমল করতে কন তো সত্যি পারবেন তো জারিয়াতের ৫৬ মুলকের দুই আল ইমরানের ১১০ যে জারিয়াতের ৫৬টা আগে লেখবেন এক নাম্বারে যে আল্লাহ আমারে বানাইছেন তার এবাদতের জন্য অতএব আমি শয়তানের এবাদতকারী হিসেবে পরিচয় আল্লাহরে দিতে রাজি না।
তাইলে সারাটা দিন এবাদতমুখী একটা মুহূর্ত তৈরি হবে। দুই নাম্বারে লেখবেন ওই মুলকের দুই নম্বর আয়াতটা যে আল্লাহ তো বানাইছেন আমার আমল সুন্দর করার জন্য। তাইলে আমি গতকাল যে মানের আমল করছি আজকের আমলের মানটা আমার আরো সুন্দর হতে হবে। এটাই আমারে আল্লাহ বানাইয়া পরীক্ষা করতে চাচ্ছেন। আর তিন নম্বরে লেখবেন আল ইমরানের ১১০ নম্বর আয়াত। এটা কি ১১০ কন্তুম খায় উম্মা। আমি শিওর করে দেই। ওই দুইটা শিওর। ১১০ ঠিক আছে ১১০ নামুখ এটা লিখবেন তিন নাম্বারে যে আল্লাহ আমারে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন আর আমার কাজ হচ্ছে মানুষের কল্যাণে কাজ করা সৎ কাজের আদেশ করা অসৎ কাজের নিষেধ করা অতএব একটা মুড় তৈরি হয়ে যাবে যে আজকের দিনে অন্তত আমি কারো উপকার পারলে না না পারলে না করতে পারি কিন্তু আমার দ্বারা কারো কোন ক্ষতি করা সম্ভব না এই চিন্তা যদি প্রত্যেকদিন সকাল একটা মানুষ মাথায় নিয়ে নেয় তো আর তার কি লাগে আল্লাহ হেফাজত করুন